খুররম জাহ্ মুরাদ
•লেখক পরিচিতি
- নাম : ইঞ্জিনিয়ার খুররম জাহ্ মুরাদ
- পিতার নাম : মঞ্জুর আলী মুরাদ
- মাতার নাম : বেগম আনতুল হাই
- ১৯৩২ সালের ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভূপালে
- MED ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, করাচী থেকে গ্রাজুয়েশন
- যুক্তরাষ্ট্রের ভিনেটা ইউনিভার্সিটি থেকে সিভিলে পোস্ট গ্রাজুয়েশন
- ইসলামী জমিয়তে তালাবা, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন
- ১৯৫৭ সালে ACE (Associate Council Engineer) এর এমডি হিসেবে বাংলাদেশে আসেন
- ১৯৬০-৭০ পর্যন্ত তিনি ঢাকা মহানগরী জামায়াতের আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন
- ১৯৭০ সালে লন্ডনের দাওয়াতুল ইসলাম ট্রাস্টে যোগদান করেন
- কাবা শরীফের সম্প্রসারণ কাজে তিনি আত্মনিয়োগ করেন এবং তার নামে কাবা শরীফে বাবে খুররম মুরাদ নামে একটি দরজা আছে
- ১৯৯৬ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের নায়েবে আমীরের দায়িত্ব পালন করেন।
বিষয়বস্তুঃ
•প্রথমতঃ
ইসলামী আন্দোলনে নেতার গুনাবলী কেমন হওয়া প্রয়োজন তা লেখক রাসুল (সাঃ) এর জীবনের আলোকে উপস্থাপন করেছেন। মুলতঃ রাসুল (সাঃ) এর নেতা হিসেবে কি গুনাবলী ছিল তাই তিনি তুলে ধরেছেন।
•মুল বইটিতে ৫ টি অধ্যায়
০১. রাসুল (সাঃ) এর আদর্শ।
০২. রাসুল (সাঃ) এর দাওয়াত ও দাওয়াতের উদ্দেশ্য।
০৩. নবী পাক (সাঃ) এবং দাওয়াতে দ্বীন।
০৪. বিরুদ্ধবাদীদের সাথে রাসুল (সাঃ) এর আচরন।
০৫. আন্দোলনের সাথীদের সাথে রাসুল (সাঃ) এর আচরন।
প্রথম অধ্যায়
রাসুল (সাঃ) এর আদর্শ১- আদর্শ নেতা ও শিক্ষক।
২- কোরআন ও সীরাতে রাসুলের (সাঃ) সম্পর্ক।
৩- কোরআনে সীরাত অধ্যায়ের পন্থা।
আদর্শ নেতা ও শিক্ষক:
১- রাসুল (সাঃ) হলেন সিরাজাম মুনীরা -আহযাব-৪৬ নূহ-১৬ নাবা-১৩
২- রুহ ও আত্মার জন্য পরিতুষ্টির স্থান নেতা ।
৩- আমল ও কর্মের জন্য আদর্শ।
৪- আদর্শ শিক্ষক।
৫- শিক্ষাদানই রিসালাতের বুনিয়াদী দায়িত্ব।
৬- রাসুল (সাঃ) কে জীবন কাফেলার সেনাপতি বানাতে হবে
কোরআন ও সীরাতে রাসুলের (সাঃ) সম্পর্ক:
১- সর্বোত্তম সীরাত গ্রন্থ হলো কোরআন মাজীদ।
২- কুরআন সীরাতের নিখুত বর্ণনা আর সীরাত কুরআনের জীবন্ত মডেল।
৩- কোরআন পড়তে হবে শব্দের পরিবর্তে আমলী জীবনে।
৪- সীরাতের আলোচনা হবে কুরআনের আলোকে।
কোরআনে সীরাত অধ্যায়ের পন্থা:
-কোরআনে যেসব হেদায়াত ও হুকুম এবং বিধান দেয়া হয়েছে , সেগুলো নবী (সাঃ) ও তার সাথী মুমিনদের বলা হয়েছে।
-যে সব স্থানে “ইয়া আইউহান্নাস” আছে তা সমস্থ মানুষকে বুঝানো হয়েছে।
-ঘটনাবলী যেখানে আছে সেখানেই সীরাতের আলোচনা।
-কোরআন অধ্যয়নের মাধ্যমে আমরা দেখি রাসুল (সাঃ) ইজতিহাদ করেছেন।
দ্বিতীয় অধ্যায়
রাসুল (সাঃ) এর দাওয়াত ও দাওয়াতের উদ্দেশ্য১. দাওয়াতের সম্পর্ক আল্লাহর সাথে -আলাক-১-৫ ইউনুস-৩৫
২. আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করা হয় - মুদ্দাস্সির।
৩. আল্লাহর বন্দেগীর প্রাধান্য - আনআম -১০৩
৪. মিথ্যা খোদাদের বিরুদ্ধে জিহাদ।
৫. দাওয়াতের হেফাজত -ইউনুস-১৫
৬. দাওয়াতের সকল অংগের প্রতি লক্ষ্যারোপ।
তিনটি পদ্ধতিতে দাওয়াত দানঃ
১. আল্লাহর ভয় প্রদর্শন
২. আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া।
৩. আল্লাহর সু-সংবাদ দেওয়া।
তৃতীয় অধ্যায়ঃ
গুরু দায়িত্বের অনুভুতি ও সার্বক্ষনিক ব্যাকুলতা
১. আল্লাহর কাজ মনে করার ধরন।
২. মালিকের তত্বাবধানে।
৩. মর্যাদা ও যিম্মাদারীর অনুভূতি।
৪. দুর্বহ কালাম।
৫. সার্বক্ষনিক ধ্যান ও পেরেশানী।
স্বীয় প্রস্তুতিঃ এই কাজ গুলো করার জন্য
১. কোরআনের সাথে নিবিড় সম্পর্ক।
২. জ্ঞান লাভের তীব্র আকাংখা।
৩. কিয়ামুল লাইল ও তারতীলুল কোরআন।
৪. যিকরে ইলাহী।
৫. সবর।
চতুর্থ অধ্যায়ঃ
১. মৌখিক বিরোধীতা
২. মোকাবিলা এবং জেহাদ
৩. উত্তম নৈতিকতা
৪. মন্দের জবাব ভালো দিয়ে
৫. তায়িফের ঘটনা
৫ম অধ্যায়ঃ
১. রাউফুর রাহীম-
২. মর্যাদা অনুভূতি ও নিবিড় সম্পর্ক।
৩. তা’লীম ও তাযকিয়া।
৪. পর্যবেক্ষন ও ইহতেসাব।
৫. যোগ্যতা ও সামর্থ অনুযায়ী আচরন।
৬. কোমলতা ও সহজতা।
৭. ক্ষমা ও মার্জনা।
৮. বিনয়।
মনোবাসনাঃ
তিনটি বিষয়ে রাসুল (সাঃ) গুরুত্ব দিতেন-
১. মনোবৃত্তিতে ইখলাস।
২. সম্পদ কোরবানীর প্রবল আগ্রহ।
৩. জীবনের লক্ষ্যবিন্দু আখেরাত।
- সম্পদ কোরবানীর মাধ্যমে মনকে পরীক্ষা করা যায়।
- সম্পদ ব্যাতীত আন্দোলন চলেনা।
0 Comments:
Post a Comment